ঝকঝকে ঢাকা গড়ার মহাপরিকল্পনা

0
96

মশিউর রহমান খান ॥ রাত পোহালেই নাগরিকগণ দেখবেন যত্রতত্র পড়ে থাকা আবর্জনামুক্ত পরিচ্ছন্ন ও ঝকঝকে ঢাকা। রাস্তার ওপর, বাড়ির সামনে, বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা যত্রতত্র পড়ে থাকবে না ময়লা আবর্জনা। সময়মতো বর্জ্য সংগ্রহ করে তা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলা হবে। কোন ব্যক্তি নির্দিষ্ট সময়ের বাইরে ময়লা দিতে চাইলেও তা সংগ্রহ করবেন না সিটি কর্পোরেশনের কর্মীরা। পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের বাধ্যতামূলকভাবে বর্জ্য সংগ্রহের সময় হ্যান্ড গ্লাভস, মাস্ক ও নির্দিষ্ট পোশাক পরিধান করতে হবে। এমনকি কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান তাদের উচ্ছিষ্ট রাস্তায় বা যত্রতত্র ফেললে করা হবে জরিমানা। এছাড়া বর্জ্য সংগ্রহ, স্থানান্তর বা এ সংক্রান্ত কোন কাজই দিনের বেলায় করা যাবে না। লোকচক্ষুর অন্তরালে সন্ধ্যা ৬টা থেকে ভোর ৬টার মধ্যেই সব কার্যক্রম সম্পন্ন করে গড়তে হবে পরিচ্ছন্ন সুন্দর স্বাস্থ্যসম্মত নগরী। নগরের দৈনন্দিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় এক নতুন ধারা প্রবর্তনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)।

 

দীর্ঘ বছর প্রতীক্ষার পর অবশেষে বর্জ্য সংগ্রহ ও ব্যবস্থাপনায় এমন আমূল পরিবর্তন আনছে সংস্থাটি। উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে পর্যায়ক্রমে অবশ্যই দেশের প্রতিটি সিটি কর্পোরেশনকে পরিচ্ছন্ন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে এমন নির্দেশ দিয়েছেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম। এরই অংশ হিসেবে পর্যায়ক্রমে দিনের বেলায় বর্জ্য সংগ্রহ এবং ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করতে হবে। একইসঙ্গে রাতের মধ্যেই বর্জ্য সংশ্লিষ্ট সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করতে নির্দেশ দিয়েছেন বলে জনকণ্ঠকে জানিয়েছেন। ডিএসসিসি সূত্র জানায়, সংস্থাটির মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস মূলত দায়িত্ব নিয়ে প্রথম ৯০ দিনের মৌলিক সমস্যা সমাধানের অংশ হিসেবে দেয়া নির্বাচনী ওয়াদা পূরণ করতে চান। তাই সম্পূর্ণ নতুন আঙ্গিকে দৈনন্দিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম সম্পন্ন করতে চান। গড়তে চান নিট এ্যান্ড ক্লিন পরিচ্ছন্ন যত্রতত্র আবর্জনামুক্ত ঢাকা মহানগরী। গতানুগতিক কার্যক্রমের পরিবর্তে নতুন আঙ্গিকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম ইতোমধ্যেই শুরু করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি।

গত ১৫ জুলাই ধানম-িতে পরীক্ষামূলকভাবে প্রথমবারের মতো নতুন আঙ্গিকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম উদ্বোধন করেন শেখ তাপস। পরবর্তীতে সংস্থাটির ৭৫টি ওয়ার্ডে একযোগে গত ১ আগস্ট থেকে এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করেছে। এরই অংশ হিসেবে বাসাবাড়ি, বিভিন্ন শিল্প বা চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান থেকে দৈনন্দিন বর্জ্য অপসারণে নতুন ব্যবস্থাপনায় নেমেছে। তাই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমে আমূল পরিবর্তনের পথে হাঁটছে সংস্থাটি।

সূত্র জানায়, এই কার্যক্রমের আওতায় প্রাথমিক বর্জ্য সেবা প্রদানকারীরা (প্রাইমারি কালেকশন সার্ভিস প্রোভাইডার (পিসিএসপি) নিয়োগ দিয়েছে সংস্থাটি। প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১০টার মধ্যে বাসা-বাড়ি ও গৃহস্থালি থেকে ময়লা-আবর্জনা সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের অন্তর্বর্তীকালীন বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্রে নিয়ে যাবে। যে সকল ওয়ার্ডে অন্তর্বর্তীকালীন বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্র নির্মিত হয়নি, সে সকল ওয়ার্ডে ডিএসসিসি নির্ধারিত স্থানে এসব ময়লা-আবর্জনা নিয়ে যাওয়া হবে। রাত ১০টা থেকে ভোর ৬টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্র অথবা নির্ধারিত স্থান থেকে ময়লা-আবর্জনা মাতুয়াইলের ভাগাড়ে (ল্যান্ডফিল) নিয়ে যাওয়া হবে। এসব ময়লা পরিষ্কারের জন্য প্রয়োজনে পানি ছিটানো হবে। প্রতিদিন রাত ৯টা থেকে পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা রাস্তায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু করবেন। এ সময় পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা রাস্তার দুর্ঘটনা এড়াতে গায়ে নির্দিষ্ট পোশাক পরিধান করতে হবে। ঝকঝকে তকতকে ঢাকা হিসেবে তৈরি করতে প্রয়োজনে রাস্তায় পানি ছিটানো বা রাস্তা ধুয়ে ফেলা হবে। এভাবেই সকাল ৬টার মধ্যেই বসবাসকারীদের একটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন নগর সকালে উপহার দিতে কাজ করছে সংস্থাটি।

দীর্ঘ বছর যাবত বর্জ্য সংগ্রহ ও ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক কর্মীসহ নানা সংগঠনের নেতাকর্মীরা যে যার মতো করে পরিচালনা করত। এমন বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে এসে শতভাগ শৃঙ্খলায় আনতে প্রথমবারের মতো প্রতিটি ওয়ার্ডে একজন করে রেজিস্টার্ড পিসিএসপি নিয়োগ দিয়েছে ডিএসসিসি। ফলে এই প্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্য কেউ বর্জ্য সংগ্রহ করবে না। একইসঙ্গে পিসিএসপির সঙ্গে মোট ২৬ দফা শর্ত সাপেক্ষে কাজের অনুমোদন দিয়েছে পিসিএসপি। যদি কোন পিসিএসপি নিয়ম বা শর্ত না মানেন বা ভঙ্গ করেন প্রয়োজনে তার চুক্তি বাতিল করে নতুন লোক নিয়োগ করা হবে। এছাড়া এত বছর বিভিন্ন লোক বা প্রতিষ্ঠান নিয়মিত বিভিন্ন বাসাবাড়ি থেকে বর্জ্য সংগ্রহ করলেও সিটি কর্পোরেশনের কোষাগারে কোন প্রকার অর্থ প্রদান করত না। নতুন ব্যবস্থাপনার আওতায় প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে অনুমোদনপ্রাপ্ত পিডব্লিউ সিএসপিগুলো সিটি কর্পোরেশনের কোষাগারে বার্ষিক ১২ লাখ টাকা (প্রতি মাসে এক লাখ টাকা হিসেবে) জমা দিতে হবে। বর্জ্য সংগ্রহ ও স্থানান্তরের জন্য প্রতিটি ওয়ার্ডের কমিশনারের সঙ্গে সমন্বয় করবে পিসিএসপি। এতে করে ডিএসসিসির রাজস্ব আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি বর্জ্য ব্যবস্থাপনায়ও শৃঙ্খলা আসবে।

অপরদিকে ডিএসসিসিতে ৭৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে ২৪টি ওয়ার্ডে অন্তর্বর্তীকালীন বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্র (এসটিএস) স্থাপন করা হয়েছে এবং বেশ কয়েকটি ওয়ার্ডে এসটিএসের জন্য জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। চলতি ডিসেম্বরের মধ্যেই আরও ২৪টি ওয়ার্ডে এসটিএস নির্মাণ করা হবে। এছাড়া ২০২১ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে চাহিদা অনুযায়ী প্রতিটি ওয়ার্ডে কমপক্ষে একটি করে এসটিএস নির্মাণ করবে সংস্থাটি। বর্জ্যরে সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে তা সম্পদে রূপান্তর করার লক্ষ্যে এর পুনর্ব্যবহার ও যথাযথ প্রক্রিয়াজাত করার লক্ষ্যে মাতুয়াইলে স্থাপিত বিদ্যমান ল্যান্ডফিলের পাশাপাশি ৩১ একর জায়গার ওপর দ্রুততম সময়ে একটি ইনসিনারেশন প্ল্যান্ট স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। সংগৃহীত বর্জ্যগুলোর মধ্যে পুনর্ব্যবহারযোগ্য বর্জ্যকে আলাদা করার পর অবশিষ্ট বর্জ্য এই প্ল্যান্টে ভস্মীভূত করে তা থেকে সার ও বিদ্যুত উৎপাদনের সুযোগও রয়েছে। এরই ফলে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি বর্জ্যকে সামগ্রিকভাবে সম্পদে রূপান্তর করাটা সহজতর ও টেকসই হতে পারে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএসসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমোডর বদরুল আমীন জনকণ্ঠকে বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে নতুন আঙ্গিকে সাজাতে মেয়রের নির্দেশ অনুযায়ী আমরা অবিরাম কাজ করছি। এখন থেকে দিনের বেলায় কোন বর্জ্য তথা ময়লা আবর্জনা সংগ্রহ করা বা স্থানান্তর করা হবে না। মূল সড়কে কোন প্রকার ডাস্টবিন রাখা হবে না। এমনকি দিনের বেলায় স্তূপকৃত বর্জ্য থেকে অন্য কোন ময়লা আলাদাও করা যাবে না। দিনে মোট ২৪টি ট্রাক থাকবে রাস্তার ওপরে থাকা ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার করার জন্য। এসব গাড়ি সবমসয়ই রাউন্ড দেবে পুরো শহর। রাস্তায় ময়লা দেখলেই তা তুলে নেবে। বদরুল আমীন বলেন, আমরা নতুন করে যেসব পিসিএসপি নিয়োগ করেছি তারা মোট ২৬টি শর্ত অবশ্যই পালন করবেন। এর মধ্যে প্রতিটি বাড়ি থেকে শতভাগ স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে বর্জ্য সংগ্রহ করবে। এজন্য তারা প্রতি ফ্ল্যাট থেকে সর্বোচ্চ ১০০ টাকা করে নিতে পারবে। একইসঙ্গে এখন থেকে নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলতে হবে। আমরা ড্রেনে কোন বর্জ্য যাতে জমা না হয় সেজন্য প্রতি মাসের ১ তারিখ থেকে প্রতিটি ড্রেন পরিষ্কারের কাজ করি। প্রতি ১৫ দিন পরপরই সকল ড্রেন আবার পরিষ্কার করা হয়। মূলত পরিচ্ছন্ন ঢাকা গাড়তে সকল কিছুই করা হবে।

এ বিষয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, নির্বাচনী ইশতেহারে আমি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমকে ঢেলে সাজানোর ওয়াদা করেছিলাম। সেই আলোকে আমরা নতুন আঙ্গিকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম শুরু করছি। এই কার্যক্রমের আওতায় এখন থেকে ৭৫টি ওয়ার্ডে একসঙ্গে সন্ধ্যা ৬টা থেকে বর্জ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হবে এবং সকাল ৬টার মধ্যে এই শহর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন নগর হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে। প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরদিন ভোর ৫টা পর্যন্ত বর্জ্য সংগ্রহ, অপসারণ ও সব রাস্তাঘাট পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হবে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সকল কার্যক্রম এর মধ্যেই সম্পাদন করা হবে। আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে, সকাল ৬টার পরে ঢাকাবাসীকে একটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন নগরী উপহার দেয়া।

মেয়র বলেন, ঢাকাবাসীর পাশাপাশি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান, দোকান মালিক ও ব্যবসায়ীদের অনুরোধ করছি আপনারা দিনের বেলায় রাস্তায় কিংবা উন্মুক্ত স্থানে কোন ধরনের ময়লা-আবর্জনা ফেলবেন না। আমাদের বর্জ্য সংগ্রহকারীরা আপনাদের বাসা-বাড়ি ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান থেকে সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১০টার মধ্যে ময়লা-আবর্জনা সংগ্রহ করে সিটি কর্পোরেশন নির্ধারিত কন্টেনার বা অন্তর্বর্তীকালীন বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্রে (এসটিএস) নিয়ে যাবেন। তাই দিনের বেলায় আপনাদের কোন ধরনের বর্জ্য জমা হলে তা রাস্তায় বা উন্মুক্ত স্থানে ফেলবেন না। যদি কেউ এ নিয়ম না মানেন তাহলে তাদের আমরা জরিমানা করব। পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম করতে প্রয়োজনীয়তা সাপেক্ষে মূল সড়কগুলোতে পানি ছিটানো ও রাস্তা ধুয়ে দেবেন। শেখ তাপস বলেন, নতুন কর্মপরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনার আওতায় আমরা ডিএসসিসির প্রতিটি ওয়ার্ডে একজন করে মোট ৭৫ জন প্রাইমারি বর্জ্য সংগ্রহ সেবাদানকারী (পিসিএসপি) নিয়োগ করেছি। তারা কোন শর্ত ভঙ্গ করলে তাদের নিবন্ধন বাতিল করা হবে। আমরা চাই ভোর বেলার ঢাকা হবে ঝকঝকে তকতকে পরিচ্ছন্ন নগরী।

এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম জনকণ্ঠকে বলেন, আমরা রাজধানীসহ দেশের প্রতিটি শহরের কোথাও কোন ময়লা আবর্জনা যাতে কারও চোখে না পড়ে সেজন্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। এজন্য প্রাথমিকভাবে ঢাকাকে পরিচ্ছন্ন ও ঝকঝকে ঢাকা উপহার দিতে ঢাকার কোথাও দিনের বেলায় বর্জ্য সংগ্রহ বা স্থানান্তর বা এ সংক্রান্ত কোন কার্যক্রম না করতে ঢাকার ২ সিটি কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছি। পর্যায়ক্রমে তা বাস্তবায়নের দিকেই যাচ্ছে। উন্নত বিশ্বের কোথাও কেউ দিনের বেলায় ময়লা সংগ্রহ বা স্থানান্তরের কাজ করেন না কিন্তু আমাদের দেশে তা চলে আসছে বহু বছর ধরে। এ থেকে বেরিয়ে আসতে আমরা মূলত রাতের বেলায়ই বর্জ্য সংক্রান্ত সকল কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কঠোর নির্দেশ দিয়েছি। ইতোমধ্যেই ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করেছে। আশা করি এভাবেই ঢাকা হবে স্বচ্ছ আবর্জনাহীন পরিচ্ছন্ন এক নতুন নগরী।

SOURCE : JANAKANTHA-25,August,2020