কোন ক্যামেরা দিয়ে ভিডিও করলে ভালো হবে? ফোকাস, অডিও, রেকর্ডিং ভিডিওগ্রাফিক্স A 2 Z টিপস

1
42248

আপনি যদি ভিডিও তৈরি করতে আগ্রহী হোন, হোক সেটা পার্সোনাল শখে কিংবা কমার্শিয়াল ভাবে, অবশ্যই আপনার মনে প্রশ্ন জেগে থাকবে, “কোনটি দিয়ে ভিডিও সুট করবো? ডিজিটাল এসএলআর নাকি ক্যামকর্ডার বা ট্র্যাডিশনাল ভিডিও ক্যামেরা দিয়ে?” দেখুন এই প্রশ্নের সঠিক জবাব একেক জনের জন্য একেক রকম। আপনি আপনার ভিডিও প্রোডাকশন করার জন্য কোনটি নির্বাচন করবেন সেটা নির্ভর করবে আপনার কাজের উপর। অবশ্যই উভয়েরই কিছু সুবিধা এবং অসুবিধা রয়েছে এবং উভয়ই নির্দিষ্ট কাজের জন্য বেস্ট। যদি কথা বলি, আজকের মডার্ন ডিএসএলআর ক্যামেরার কথা, তবে কয়েক বছর আগে এটা শুধু মাত্র ফটো ক্যাপচার করার জন্যই বেস্ট ছিল, কিন্তু আজকের দিনে আচানক ভিডিও রেকর্ড করার জন্যও এটি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। কিন্তু কেন? চলুন এই আর্টিকেল থেকে সকল প্রশ্ন গুলোর উত্তর খোঁজা যাক


ডিএসএলআর বনাম ক্যামকর্ডার

আমি আগেই উল্লেখ করেছি, যখন কথা বলা হবে ডিএসএলআর বনাম ক্যামকর্ডার নিয়ে; ব্যাপারটা সম্পূর্ণই নিজের কাজের উপর নির্ভর করবে। কিন্তু কিছু বিষয় রয়েছে, যেগুলো ভিডিও মেকিং বা ভিডিও সুট করার জন্য কোন ক্যামেরা নির্বাচন করবেন, তাতে লক্ষ্য রাখা প্রয়োজনীয়। যদি কথা বলি ক্যামকর্ডার বা ট্র্যাডিশনাল ভিডিও ক্যামেরা নিয়ে, তবে বাজারে এর অনেক ফ্লেভার পাওয়া যায়। ছোট হ্যান্ডিক্যাম থেকে শুরু করে বিশাল আকারের কাঁধে চাপিয়ে ঘুরে বেড়ানো ক্যামেরা গুলো পর্যন্ত সবই ক্যামকর্ডারের ক্যাটাগরিতে পড়ে। এখন ক্যামকর্ডারকে বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে ভিডিও তৈরি করার জন্য, যেখানে ডিএসএলআরকে ফটো সুট করার লক্ষে ডিজাইন করা হয়েছে। ট্র্যাডিশনাল ভিডিও ক্যামেরা ব্যাবহারে অনেক সহজ, সবকিছুই অটোমেটিক, আপনাকে কোন সেটিং বা ক্যামেরা নিয়ে খুব বেশি জ্ঞান থাকার প্রয়োজনীয়তা নেই। জাস্ট ক্যামেরা অন করুণ, আর রেকর্ড বাটন প্রেস করুণ, আপনার ভিডিও স্বয়ংক্রিয়ভাবে রেকর্ডিং শুরু হয়ে যাবে। সব সেটিং আগে থেকেই ঠিক করা রয়েছে; অটো হোয়াইট ব্যাল্যান্স, অটো এক্সপোজার, অটো ফোকাস ইত্যাদি সবকিছু প্রিসেট করা থাকে। বিশেষ করে ক্যামকর্ডার বিক্রির আসল পয়েন্টই হলো সহজে ইউজ করার সুবিধা।
কিন্তু আপনি যদি আপনার ভিডিও’র উপর আরো কন্ট্রোল আনতে চান। আপনি নিজে থেকে সিদ্ধান্ত নিতে চান, কোথায় কতোটুকু আলোর দরকার, কোন সাবজেক্ট ফোকাসে থাকবে তাহলে ক্যামকর্ডার আপনার কাজে বিরক্তিকর প্রভাব ফেলবে, কেনোনা আপনি কোন কিছুই ম্যানুয়ালি সেট করতে পারবেন না। আর এখানেই ডিএসএলআরের মূল সুবিধা, সবকিছুই আপনার কন্টোলের মধ্যে থাকবে। আপনি যদি সে ব্যক্তি হয়ে থাকেন, যিনি জানেন যে ঠিক কি করছেন, এবং ক্যামেরা আর ফটোগ্রাফি বা ভিডিওগ্রাফির উপর যদি আপনার ভালো নলেজ থাকে, অবশ্যই এখানে ডিএসএলআর আপনাকে সর্বাধিক সুবিধা প্রদান করবে। এর মানে এই নয় যে, ডিএসএলআর’এ অটো কন্ট্রোল নেই; হ্যাঁ, আজ থেকে ৫-৬ বছর আগের ডিএসএলআর গুলোতে সত্যিই তেমন অটো কন্ট্রোল ছিল না, কিন্তু আজকের দিনের কথা আলাদা। অটো সেটিং থাকার পাশাপাশি সবকিছু নিজের ইচ্ছা এবং কাজ অনুসারে সেটআপ করে নিতে পারবেন, এতে আপনার ভিডিও ঠিক তেমন দেখতে লাগবে, যেমনটা আপনি দেখাতে চান।


সেন্সর সাইজ

আমি আগেই বলেছি, ভিডিও ক্যামেরা বিভিন্ন ক্যাটাগরির রয়েছে। আবার ডিএসএলআর’এর ও দাম এবং মডেল অনুসারে বিভিন্ন আলাদা আলাদা সুযোগ সুবিধার ব্যবস্থা রয়েছে। যদি একই রেঞ্জের দামের একটি ডিএসএলআর এবং ক্যামকর্ডারকে পাশাপাশি তুলনা করা হয়, তবে ভিডিও ক্যামেরাটি থেকে ডিজিটাল এসএলআর এর ক্যামেরা সেন্সর সাইজ অনেক বড় দেখতে পাওয়া যায়। হ্যাঁ, অনেক বড় ভিডিও ক্যামেরা রয়েছে যেগুলোতে ডিজিটাল এসএলআর থেকেও অনেক বড় সেন্সর ব্যবহার করা হয়েছে, কিন্তু সেগুলোর প্রাইজ পয়েন্টের দিকে দেখলে আরো ৪-৫টা ক্যামেরা কেনা যাবে। শুধু হাই এন্ড মডেলের ভিডিও ক্যামেরা গুলোতেই বড় সেন্সর দেখতে পাওয়া যায়, যেগুলো কিনতে অনায়াসে আপনার পকেট থেকে কয়েক লাখ টাকা গায়েব করে দেবে। কিন্তু প্রায় স্ট্যান্ডার্ড যেকোনো ডিজিটাল এসএলআর ক্যামেরার আপনি ক্যামকর্ডার থেকে অনেক বড় সেন্সর পেয়ে যাবেন।

হতে পারে দুইটি ক্যামেরা একই রেজুলেসনে ভিডিও রেকর্ড করার ক্ষমতা রাখে, কিন্তু সেন্সর সাইজ বড় হলে সেটা আরো বেশি আলো ক্যাপচার করার ক্ষমতা রাখে। প্রত্যেকটি পিক্সেল আরো বেশি উজ্জ্বল এবং সমস্ত পিকচারে আরো বেশি বর্ণনা দেখতে পাওয়া যাবে। আর এই জন্যই আজকের মডার্ন স্মার্টফোন গুলোর ক্যামেরায় অনেক বেশি মেগাপিক্সেল থাকার পরেও সেটি ডিএসএলআরের সাথে টেক্কা দিতে পারে না। ক্যামেরায় মেগাপিক্সলের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা আরেকটি আর্টিকেলে আমি বিষয়টি পরিষ্কার করে তুলে ধরেছি।

তাছাড়া ভিডিও সেন্সর সাইজ বড় হওয়ার কারণে আপনি দুইটি প্রধান সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন, যেটা ছোট সেন্সরের ক্যামেরায় পাওয়া সম্ভব নয়। প্রথমত আপনার ক্যামেরার সেন্সর বড় হওয়ার কারণে আপনি কম আলোতে ভালো ক্যামেরা পারফর্মেন্স দেখতে পাবেন। যে জায়গা একটু অন্ধকার বা স্বাভাবিক যতোটা আলো প্রয়োজনীয় সেটা নেই, সেখানেও বড় সেন্সর অনেক ডিটেইলস ক্যাপচার করতে সক্ষম হবে। অপর দিকে আপনার ক্যামেরা সেন্সর ছোট হলে সেটা তুলনা মূলকভাবে ততোটা আলো ক্যাপচার করতে পারবে না, ফলে অন্ধকার জায়গা গুলোতে আপনি নয়েজ দেখতে পাবেন। পার্সোনাল ভিডিও তৈরি করার ক্ষেত্রে যদিও এটা কোন ব্যাপার না, কিন্তু আপনি যদি দর্শকদের জন্য ভিডিও তৈরি করতে চান, বা ইউটিউবে আপলোড করতে চান তবে নয়েজ অনেক বিরক্তিকর ব্যাপার হয়ে দাঁড়াবে।

বড় সেন্সরের আরেকটি সুবিধা হচ্ছে, বুকেহ ইফেক্ট বা ডেপ্থ অফ ফিল্ড; আপনি নিশ্চয় মুভিতে বা কোন প্রফেশনাল ভিডিওতে খেয়াল করে থাকবেন, সাবজেক্ট এর পেছনের ব্যাকগ্রাউন্ড ঘোলা বা অস্পষ্ট হয়ে থাকে। এই ইফেক্ট সাবজেক্টকে আরো বেশি ফোকাসে রাখতে সাহায্য করে এবং ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে সাবজেক্টের গভীরতা বোঝাতে সাহায্য করে। সহজ ভাষায় বলতে পারেন ডিএসএলআর’এ ব্যাকগ্রাউড ঘোলা করা অনেক বেশি সহজ। যেখানে ভিডিও ক্যামেরাতে হয়তো আপনি অনেক বেশি অপটিক্যাল জুম দেখতে পাবেন, কিন্তু উন্নত বুকেহ ইফেক্ট দেখতে পাবেন না। ডিজিটাল এসএলআর ক্যামেরায় একটি প্রশস্ত লেন্স যাতে f/1.8 বা f/2.8 অ্যাপারচার রয়েছে; নিঃসন্দেহে অনেক ভালো বুকেহ ইফেক্ট দেখতে পাবেন। আর এই জন্যই বর্তমানে অনেক প্রফেশনাল ভিডিও মেকার’রা ব্যাকগ্রাউন্ডকে আউট-অফ-ফোকাস করতে ডিএসএলআর ব্যবহার করে থাকেন।

ফোকাস, অডিও, রেকর্ডিং টাইম

যদি কথা বলি ফোকাস নিয়ে তবে এটি ভিডিও ক্যামেরা এবং ডিজিটাল এসএলআর এর মধ্যে তুলনা করার একটি ভালো পয়েন্ট। আজ থেকে ৫-৬ বছর আগের ডিজিটাল এসএলআর ক্যামেরা গুলোতে অটো ফোকাস ছিল না, ফলে মুভিং সাবজেক্টের জন্য বারবার ম্যানুয়ালি ফোকাস ঠিক করার প্রয়োজন পড়তো। কিন্তু আজকের প্রায় যেকোনো ডিজিটাল এসএলআর ক্যামেরায় অটো ফোকাস ফিচার পেয়ে যাবেন। সাথে ভিডিও রেকর্ড করার সময়ও ফোকাস ঠিক করার কন্ট্রোল রয়েছে। তাছাড়া মুভিং সাবজেক্টকে সাবজেক্ট লকও করতে পারবেন, এতে সাবজেক্ট মুভ করলে ক্যামেরা বারবার অটো ফোকাসিং ঠিক করবে না। যাই হোক, ডিএসএলআর’এ আপনি অটো ফোকাস করতে পারলেও, বেশিরভাগ প্রফেশনাল ভিডিওগ্রাফাররা ম্যানুয়াল ফোকাসের উপর ভিডিও রেকর্ড করে। এতে আরোবেশি ইফেক্ট প্রদান করা সম্ভব। বিশেষ করে যখন দুইজন মানুষ এক ভিডিওতে থাকে যখন ম্যানুয়াল ফোকাসিং করা হয়, যে কথা বলে তার দিকে ফোকাস করা হয় এবং আরেকজন অস্পষ্ট থাকে।
ভিডিও রেকর্ডিং এবং ভিডিও প্রোডাকশনের ক্ষেত্রে অডিও অনেক জরুরী ব্যাপার। হাই এন্ড ভিডিও ক্যামেরা গুলোতে ডিফল্টভাবে অনেক ভালো মাইক ব্যবহার করা হয়, কিন্তু একই প্রাইজ রেঞ্জের মধ্যের ডিএসএলআর এবং ভিডিও ক্যামেরার দিকে দেখতে গেলে ডিএসএলআর’এর অডিও মাইক বেশি উন্নত হয়। আমার সাবজেক্ট ক্যামেরা থেকে দূরে থাকলে অডিও ক্যাপচার করতে অসুবিধা হয়, ফলে এক্সটার্নাল মাইক ব্যবহার করা হয়। ক্যামকর্ডার এবং ডিএসএলআর উভয়তেই এক্সটার্নাল মাইক লাগানো যায়, কিন্তু ডিএসএলআর’রে অডিওতে আরোবেশি কন্ট্রোল পাওয়া সম্ভব; যেমন- ম্যানুয়াল অডিও লেভেল ঠিক করা। ধরুন আপনি একটি রুমে রয়েছেন যেখানে আওয়াজ অনেক লাউড তখন ক্যামেরা অডিও লেভেল অনেক বেড়ে যাবে আবার আওয়াজ কমে গেলে অডিও লেভেল কমে যাবে। কিন্তু আপনি যদি অডিও লেভেল ফিক্সড করে রাখেন, তাহলে এই কমা বাড়ার সমস্যাকে দূর করতে পারবেন। যদিও অডিও প্রসেসিং সফটওয়্যার ব্যবহার করে এগুলো বর্তমানে ঠিক করা যায়।
আরেকটি ব্যাপার, যেটা আপনার এই আর্টিকেলে উল্লেখ করা প্রয়োজনীয় মনে হয়েছে, সেটা ভিডিও রেকর্ডিং টাইম। ডিএসএলআর’এ ভিডিও রেকর্ড টাইম অনেক কম (যদিও সেটা মডেল অনুসারে নির্ভর করে); আপনি একটানা হয়তো ৩০ মিনিট ভিডিও করতে পারবেন। তারপরে ভিডিও রেকর্ডিং স্টপ হয়ে যাবে এবং নতুন করে রেকর্ডিং শুরু করতে হবে। যদিও এটা আজ আর বিশাল কোন সমস্যা না। কেনোনা ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার ব্যবহার করে ভিডিও ক্লিপ গুলোকে জোড়া লাগিয়ে সহজেই একটি সিঙ্গেল ভিডিও তৈরি করা সম্ভব। অপরদিকে ক্যামকর্ডার’এ ভিডিও রেকর্ডিং কোন লিমিট নেই; ততোক্ষণ ভিডিও রেকর্ড করতেই থাকুন যতোক্ষণ আপনার ব্যাটারিতে চার্জ রয়েছে, কিংবা যতোক্ষণ স্টোরেজ ফাঁকা রয়েছে। আর ভিডিও ক্যামেরার এটি একটি বিরাট সুবিধা, আপনি কোন প্রকারের রেকর্ডিং না থামিয়ে পুরো কনসার্ট রেকর্ড করতে পারবেন।

দাম
দামের দিক থেকে সাধারন কনজিউমার টাইপ ক্যামকর্ডার কিনতে ১০-১৫ হাজার টাকা লাগতে পারে, তবে প্রায় এই একই দামে বা একটু বেশি দামে ডিএসএলআর কিনলে সাথে বড় সেন্সর এবং অনেক বেশি ভিডিও কন্ট্রোল অপশন পেতে পারবেন। প্রফেশনাল গ্রেডের ক্যামকর্ডারের সাথে তুলনা করতে গেলে, ডিএসএলআর অনেক সাশ্রয়ী অপশন হিসেবে প্রমাণিত হতে পারে। সাথে আপনার প্রয়োজন অনুসারে আপনি লেন্স পরিবর্তন করার সুবিধা পাবেন, যেটা ক্যামকর্ডারে সম্ভব নয়। তবে উভয় প্রকারের ক্যামেরার সাথেই আলাদা উপকরণ প্রয়োজনীয়, যেমন- এক্সটার্নাল অডিও মাইক, ট্রাইপড, লাইটিং উপকরন ইত্যাদি।

ভিডিওগ্রাফির কিছু টিপস

আজকের দিনে ভিডিও রেকর্ডিং অনেকটা ট্রেন্ডে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে মানুষ ইউটিউব ভিডিও বানানোর ঝোঁকের জন্য, ভালো ক্যামেরা নির্বাচন এবং ভালো কোয়ালিটির ভিডিও তৈরি করা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। হয়তো আপনি বর্তমানে ডিএসএলআর ব্যবহার করছেন, কিন্তু পুরাতন মডেল, আবার হয়তো আপনি স্মার্টফোন ব্যবহার করেই ভিডিও রেকর্ডিং করেন কিন্তু আরো ভালো কোয়ালিটি পাওয়ার জন্য ভিডিও ক্যামেরা বা ডিজিটাল এসএলআর কিনতে চান। তবে আপনি কি জানেন, শুধু লাইটিং এ উন্নতি করার মাধ্যমে আপনি আপনার ভিডিও কোয়ালিটিতে অনেক বেশি পার্থক্য আনতে পারেন? হ্যাঁ, সঠিকভাবে লাইটিং করতে পারলে আপনার পুরাতন ক্যামেরায় আপনাকে অনেক ভালো কোয়ালিটির পিকচার দিতে সক্ষম হবে। আপনি হয়তো নতুন ক্যামেরা কেনার কথা ভাবছেন, কিন্তু শুধু লাইটিং এ উন্নতি এনে স্মার্টফোনেও অনেক চমৎকার ভিডিও রেকর্ড করা সম্ভব। ৫-৬ হাজার টাকা খরচ করার মাধ্যমে স্টুডিও কোয়ালিটি লাইটিং সেটাপ করে নিজেই পরিবর্তন অনুভব করতে পারবেন। অথবা সাধারন এলইডি বা সিএফএল বাল্ব লাগিয়ে সাবজেক্টকে আলোকিত করে, ক্যামেরায় সাবজেক্টকে আরো সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারবেন।
যদি লাইটিং সেটাপ না থাকে, তবে দিনের বেলার প্রাকৃতিক লাইট ব্যবহার করে রেকর্ডিং করুণ। আপনার ভিডিওতে অনেক কোয়ালিটি উন্নতি ঘটবে। তাই অনেক বেশি টাকা খরচ করে নতুন ক্যামেরা কেনার আগে, অবশ্যই ভেবে দেখুন লাইটিং করেই আপনার প্রয়োজনীয় কোয়ালিটি পাওয়া যাচ্ছে কিনা।

ধন্যবাদ সাথেই থাকুন

1 COMMENT