হংকংয়ে নতুন বিতর্কিত নিরাপত্তা আইনের খড়গ চীনের

0
27

আধা-স্বায়ত্ত্বশাসিত হংকংয়ে বিতর্কিত নিরাপত্তা আইন প্রয়োগ করতে যাচ্ছে চীনা কমিউনিস্ট সরকার।

হংকংয়ের আইনসভাকে পাশ কাটিয়ে ‘দেশদ্রোহিতা, বিচ্ছিন্নতা, গণবিক্ষোভ ও ধ্বংসাত্মক’ কার্যক্রমে বন্ধে বেইজিংয়ের কেন্দ্রীয় সরকার খুবই কম ব্যবহৃত সাংবিধানিক পদ্ধতির মাধ্যমে এটি চালু করবে বলে জনিয়েছে। খবর-সিএনএন।

১৯৯৭ সালে ব্রিটিশ সরকার চীনের হাতে হংকংকে হস্তান্তরের পর শহরটির স্বায়ত্তশাসন ও নাগরিক স্বাধীনতার পক্ষে সবচেয়ে বড় ধাক্কা মনে করা হচ্ছে এই আইনটিকে।

ইতিমধ্যে হংকংয়ের বিরোধী দল, মানবাধিকার সংগঠন এবং মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর এই পরিকল্পনার তাৎক্ষণিক সমালোচনা করেছিল।

সমালোচকদের ভাষ্য, হংকংকে সবচেয়ে বেশি স্বাধীনতা দেওয়ার যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল চীন তা ভঙ্গ করতে যাচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে চীনের এই পদক্ষেপ হংকংয়ের জনঅসন্তোষকে আরও তীব্র করবে এবং নতুন করে গণতান্ত্রিক সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকে উস্কে দেবে।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইতিমধ্যেই হংকংয়ে চীনের মৈত্রী কার্যালয়ের সামনে শুক্রবার প্রতিবাদকারীরা জড়ো হয়েছে।

চীনের ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির নেওয়া এই সিদ্ধান্ত ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের বার্ষিক অধিবেশনে উত্থাপনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। অবশ্য রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে কমিউনিস্ট পার্টির সিদ্ধান্তেই চূড়ান্ত। পিপলস কংগ্রেসে ওঠানো আনুষ্ঠানিকতা মাত্র।

শুক্রবার হংকংয়ের বেইজিং সমর্থিত সরকার জানিয়েছে, আইন বাস্তবায়নে তারা চীনকে সহযোগিতা করবে। নতুন এই আইনে নগরীর স্বাধীনতার ওপর কোনো হস্তক্ষেপ হবে না বলেও দাবি করা হয়।

সূত্রঃ যুগান্তর

সংবাদ টি ওয়েবসাইটের ডেমো হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। সম্পূর্ণ কপিরাইট যুগান্তরের।

একটি মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে