ইসলামের বাণী পৌঁছে দাও বিশ্বযুরে ( হাদিসের বাণী প্রথম পর্ব )

5
3468

image


আসসালামু আলাইকুম কেমন আছেন সবাই আশা করছি আল্লাহর রহমতে সকলেই অনেক অনেক ভাল আছেন আমরা সবাই কমবেশি বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করি কিন্তু ইসলাম বিষয়ে সবাই তেমন আলোচনা করি না অথচ যে বিষয়ে আমাদের জানা অনেক প্রয়োজন বাস্তব জীবনে চলতে হলে এবং মৃত্যুর পরে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের রহমত ও দিদার পাওয়ার জন্য সকল মুসলিম নর-নারীর উপর ইসলাম ধর্ম এর যাবতীয় বিষয় জানা ফরজ।

আজ থেকে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব ইসলাম ধর্ম এর কিছু প্রয়োজনীয় হাদিস মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন এর কিছু হুকুম আহকাম ও প্রয়োজনীয় কিছু আমল ধারাবাহিকভাবে আমি আলোচনা করব কারণ এই বিষয়ে তাই সবাই তুমি প্রতিদিন এ পোস্ট গুলা পড়িবেন খুব মনোযোগ দিয়ে দয়া করে।

ভূমিকা::

মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন সকল নর-নারীর জন্য দ্বীনি শিক্ষা ফরজ করে দিয়েছেন।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন শিক্ষার জন্য অচিনপুরে যাও তাহলে আমরা বুঝতে পারি দিন শিক্ষা করা সব মানুষের জন্য ফরজ শুধু ইসলাম ধর্মের জন্য শিক্ষা ফরজ নয় সকল ধর্মের উপরে নিজস্ব জ্ঞান থাকা প্রয়োজন।

আদর্শ জীবন গঠনে নির্দেশনা

মাওলানা সাঈদ আল হাসান শামসাবাদী


ইসলাম ধ্বংসকারী সাতটি বিষয় থেকে বেঁচে থাকো

হাদিস::
হযরত আবু হোরায়রা রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু হতে বর্ণিত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
” ঈমান ধ্বংসকারী সাতটি বিষয় থেকে বেঁচে থাকো।” সাহাবীগণ রাদ্বিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু বললেন:
ইয়া রাসুল আল্লাহ সেই বিষয়গুলো কি কি?
তিনি বলেন : সেই বিষয়গুলো হলো-
১। আল্লাহর সাথে শিরক করা।
২। জাদু করা।
৩। সরয়ী কারণ ব্যতীত আল্লাহ যাকে হত্যা করা নিষেধ করেছেন তাকে হত্যা করা।
৪। সুদ খাওয়া।
৫। (অন্যায়ভাবে) ইয়াতিমের মাল খাওয়া।
৬। যুদ্ধ চলাকালে জিহাদের ময়দান থেকে পলায়ন করা।
৭। সতী-সাধ্বী মুসলিম রমণীর উপর বিচারের মিথ্যা অপবাদ আরোপ করা।

রাগ করো না  রাসুল (সা.) কিছু বাণী

হাদীস ::
হযরত আবু হোরায়রা রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু হতে বর্ণিত, এক ব্যক্তি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নিকট এসে বললো, আপনি আমাকে ওসিয়ত করুন। তিনি বললেন :
” তুমি রাগ করো না” লোকটি কয়েকবার আরো আরো ওসিয়ত করতে অনুরোধ করলে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেক বারই বললেন : “রাগ করো না”
(সহীহ বুখারি হাদিস নংঃ-৫৬৮৬) 

হাদিস ::আবু হোরায়রা ( রাঃ) হতে বর্ণিত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন : “প্রকৃত বীর সেই নয় যে কাউকে কুস্তিতে হারিয়ে দে বরং সেই প্রকৃত বাহাদুর ক্রোধের সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করে”
(সহীহ বুখারী হাদীস নং-৫৬৮৪) 

হাদিস:: হযরত সুলাইমান ইবনে সুরদ (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, একবার রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সামনে দু ব্যক্তি পরস্পর গালিগালাজ করছিল। আমরা ও তার নিকট বসা ছিলাম। তাদের একজন অপরজনকে রাগান্বিত হয়ে গালি দিচ্ছিল যে, তার চেহারা লাল হয়ে গিয়েছিল। তখন নবী করীম ( সা.) বললেন: আমি একটি কালিমা জানি যদি এই লোকটি তা পড়তো, তাহলে তা ক্রুদ চলে যেত অর্থাৎ লোকটির যদি আউযু বিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রজীম’ পড়তো তাহলে সেই উপকার লাভ করত
(সহীহ বুখারি হাদিস নং- ৫৬৮৫)

শেষ কথা::

অপরের যতগুলো হাদীস আপনারা পড়েছেন আলহামদুলিল্লাহ আমরা সেগুলো পালন করার চেষ্টা করিব এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দেখানো পথে চলার চেষ্টা করিব এতে দুনিয়া ও আখেরাত দুজাহান এর অশেষ সওয়াব ও শান্তি নসিব হবে।

5 COMMENTS

  1. ধন্যবাদ আপনাকে এরকম সুন্দর একটি ইসলামি পোস্ট উপহার দেওয়ার জন্য।